WB Govt Giving Land Scheme: রাজ্য সরকার সাধারণত পশ্চিমবঙ্গবাসের জন্য বিভিন্ন ধরনের জন আমাকে প্রকল্প নিয়ে আসেন কিন্তু এবারকার যে প্রকল্প নিয়ে এসেছেন তা অন্যান্য প্রকল্প থেকে একদম আলাদা। কেননা এ প্রকল্পের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকার জমির রাজ্য সরকার কেবল এক টাকায় দিতে চলেছে। শুনতে অবাক লাগলো এটাই সত্যি। রাজ্য সরকার তার বিভিন্ন সরকারি জমিয়ে মাত্র এক টাকায় বেশ কিছু শর্তে দিতে চলেছে। আপনি যদি রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে চান তাহলে শেষপর্যন্ত পড়ুন
আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা জানবো কিভাবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাব এবং কিভাবে এই সুবিধা নিতে গেলে আমাদের যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। আসুন তাহলে ধাপে ধাপে বিস্তারিত দেখে নেওয়া যাক
সম্পর্কিত পোস্ট
OBC,SC,ST থাকলে ৪৮,০০০ পর্যন্ত স্কলারশিপ! স্কুল কলেজ সকলের পড়ুয়া জন্য দারুণ সুযোগ - Oasis OBC Scholarship 2026মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা: “আমার মেয়েদের জন্য চাই দুটো ফ্লোর”
সম্প্রতি আলিপুরে নবনির্মিত চর্ম ও কুটির শিল্প কেন্দ্র ‘শিল্পান্ন’ উদ্বোধনের মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন—
“যারা মল তৈরি করবেন, তাঁদের জন্য শর্ত একটাই—দুটি ফ্লোর আমার চাই। সেই ফ্লোরে থাকবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মেয়েদের জন্য দোকান। বাকি জায়গায় সিনেমা হল, কফি শপ, রেস্টুরেন্ট বা শপিং এরিয়া, যা খুশি করা যাবে।”
অর্থাৎ উদ্যোক্তারা ইচ্ছেমতো বহুতল মল গড়ে তুলতে পারবেন, তবে শর্তসাপেক্ষে দু’টি ফ্লোর রাজ্য সরকারকে ছেড়ে দিতে হবে।
কেন এই উদ্যোগ ব্যতিক্রমী?
অনেক সরকারি প্রকল্প এসেছে ও গিয়েছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত কয়েকটি কারণে অনন্য হয়ে উঠছে—
- জমির সহজলভ্যতা: জমির দামই ব্যবসা শুরুর সবচেয়ে বড় বাধা। মাত্র ₹1 টাকায় জমি পাওয়া উদ্যোক্তাদের জন্য বিপ্লব ঘটাবে।
- নারী ক্ষমতায়নের বাস্তব রূপ: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা আর শুধু হাটে বা মেলায় বিক্রির উপর নির্ভরশীল থাকবেন না। তাঁরা আধুনিক শপিং মলে দোকান পাবেন।
- আধুনিক মিশ্র বাণিজ্যিক পরিবেশ: একই ছাদের নিচে দোকান, সিনেমাহল, কফি শপ, রেস্টুরেন্ট থাকলে দর্শনার্থী সংখ্যা বাড়বে, ফলে ব্যবসারও প্রসার হবে।
- লোকাল প্রোডাক্টের বাজার: বাংলার হস্তশিল্প, তাঁতের শাড়ি, খাদ্যপণ্য ও চামড়ার সামগ্রী সরাসরি ক্রেতার কাছে পৌঁছাবে।
কারা এই জমি পাবেন?
এখনও পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রকাশ হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে—
- বেসরকারি ডেভেলপার সংস্থা আবেদন করতে পারবেন।
- বিল্ডার ও উদ্যোক্তারা নিজস্ব পুঁজিতে নির্মাণ করতে পারবেন।
- সরকারের নির্ধারিত জায়গাতেই নির্মাণ অনুমতি দেওয়া হবে।
সবচেয়ে বড় শর্ত— দুটি ফ্লোর স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের জন্য ফাঁকা রাখতে হবে।
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা কীভাবে উপকৃত হবেন?
এই প্রকল্পের মানবিক দিক এখানেই—
- প্রতিটি জেলায় গড়ে ওঠা মলে দুটি ফ্লোর থাকবে শুধু মহিলাদের জন্য।
- সেখানে তাঁরা খুলতে পারবেন—
- হস্তশিল্পের দোকান
- খাদ্যপণ্যের স্টল
- তাঁতের শাড়ি, চামড়াজাত সামগ্রী
- গ্রামীণ পণ্যের কেন্দ্র
এতে একদিকে বাড়বে তাঁদের আয়, অন্যদিকে গড়ে উঠবে নতুন প্রজন্মের নারী উদ্যোক্তা।
শিল্পান্ন: কুটির শিল্পের মডেল
যে অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা দেন, সেদিন তিনি ‘শিল্পান্ন’ নামের এক বিশেষ কমপ্লেক্সেরও উদ্বোধন করেন।
- এখানে থাকবে ৪৬টি দোকান।
- চামড়াজাত পণ্য ও বাংলার ঐতিহ্যবাহী তাঁতের শাড়ি পাওয়া যাবে।
- এটি শুধু ব্যবসার জায়গা নয়, বরং সাংস্কৃতিক আইকন হয়ে উঠছে।
কীভাবে আবেদন করবেন জমির জন্য?
যদিও সরকার এখনো আলাদা ওয়েবসাইট বা আবেদন প্রক্রিয়া চালু করেনি, তবে ভবিষ্যতে—
- MSME বিভাগ
- জেলা প্রশাসন
এর মাধ্যমে আবেদন শুরু হতে পারে। জমির বরাদ্দ হবে—
- আবেদনকারীর ব্যবসায়িক পরিকল্পনার ভিত্তিতে
- নির্ধারিত নির্মাণ সময়সীমা অনুযায়ী
- সরকারের শর্ত পূরণের প্রতিশ্রুতির উপর
এই প্রকল্পের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ
যত বড় উদ্যোগ, তত বড় চ্যালেঞ্জ।
| চ্যালেঞ্জ সমূহ | সমাধান |
|---|---|
| জমি সংক্রান্ত আইনি জট | জেলা প্রশাসনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ |
| নির্মাণে বিলম্ব | নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া |
| সরকারি ফ্লোর রক্ষণাবেক্ষণ | মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর হাতে দায়িত্ব |
| প্রাইভেট ডেভেলপারদের অনীহা | ইনসেনটিভ ঘোষণা করে উৎসাহ দেওয়া |
ভবিষ্যতের দিশা
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি পরিকল্পনা মতো এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়, তবে—
- প্রতিটি জেলায় আধুনিক শপিং মল তৈরি হবে।
- মহিলা উদ্যোক্তাদের সামাজিক মর্যাদা বাড়বে।
- স্থানীয় হস্তশিল্প ও শিল্পপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার তৈরি হবে।
- রাজ্যে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি হবে।
₹1 টাকায় রাজ্য সরকারের সরকারি জমি পাওয়া সম্ভব শুধুমাত্র উপরোক্ত যোগ্যতা গুলি পূরণ করলে। এক্ষেত্রে লক্ষ লক্ষ টাকার জমি মাত্র এক টাকায় পাওয়া যাবে। তাহলে যে সমস্ত উদ্যোগ তারা এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে ইচ্ছুক তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।
আমরা কেবল এই প্রতিবেদনে অনলাইন মাধ্যমে ও তথ্য অনুযায়ী তথ্য তুলে ধরেছি। আপনি যদি এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে চান কিন্তু আবেদন করতে চান তাহলে অবশ্যই সরকারি দপ্তরে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

Aitpune is a experience content writer in various niches. I have 5 years experience in the field of content writing specially Bengali language. But i also work in English. So if any error done by me please forgive me.Thank You










