West Bengal SIR List: আমাদের পার্শ্ববর্তী রাজ্য বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে SIR সম্পূর্ণ হয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতবর্ষের মোট নয়টি রাজ্যে এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে SIR লাগু হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ বিধানসভা ভোট, এই ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনার পশ্চিমবঙ্গের ভোটার লিস্ট সংশোধনের উদ্যত হয়েছেন। যার কাজ ইতিমধ্যে SIR মাধ্যমে শুরু হয়েছে।
এই SIR কারণে পশ্চিমবঙ্গের বহু নাগরিক ভীত এবং সন্তুষ্ট রয়েছেন, অনেক মনে মনে করছেন যথাযথ প্রমাণপত্র না দেখাতে পারলে তাদের ডিটেনশন ক্যাম্প নয়তো বাংলাদেশে পাঠানো হবে। তবে কি সত্যিই যারা নির্দিষ্ট নথিপত্র দেখাতে পারবেন না তাদের ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাতে চলেছে ভারত সরকার? কাদের কাদের নাম বাদ পড়তে চলেছে? কাদের হেয়ারিংয়ে ডাকা হবে? নাম বাদ পড়লে কি করনীয়? সমস্ত বিস্তারিত তথ্য আজকের প্রতিবেদনে জানানো হবে।
সম্পর্কিত পোস্ট
সুখবর! কৃষক বন্ধু যুবসাথী প্রকল্পে বৈধ! এবার সকলেি টাকা পেতে চলেছে - WB Yuva Sathi Scheme 2026
পশ্চিমবঙ্গে SIR :
সমগ্র ভারতবর্ষের মতো পশ্চিমবঙ্গে ভোটার কার্ড নাম সংশোধন অর্থাৎ SIR লাগু হয়েছে। যার ফলে নির্বাচন কমিশনার পুনরায় ভোটার লিস্টের নাম ছাঁটাই বাছাই করতে চলেছে। এমন বহু পরিবার রয়েছে যাদের পরিবারের কোন সদস্যের মৃত্যু অথবা পরিব্রাজনজনিত কারণে অন্যত্র স্থানান্তরিত হলেও তাদের নাম জন্মস্থানের ভোটার লিস্টে রয়েছে। আবার এই সকল ব্যক্তিরা কর্মসূত্রে যেখানে গিয়েছে সেখানেও নতুন ভোটার কার্ড বানিয়ে নিয়েছে। এর ফলে এক ব্যক্তির নামে একাধিক স্থানে ভোটার কার্ড রয়েছে।
এছাড়াও বহু বিদেশি নাগরিক ভারতবর্ষে অনুপ্রবেশ করে এখানকার পরিচয় পত্র বানিয়ে নিয়েছে। যার ফলে প্রকৃত ভারতীয়রা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উক্ত একাধিক সমস্যার কারণে নির্বাচন কমিশনার ভোটার কার্ডের নাম সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনার দেশের একটি স্বাধীন সংবিধানিক সংস্থা যার ওপর কোন সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকেনা। প্রতি ১০ বছর অন্তর নির্বাচন কমিশনার ভোটার লিস্টের নামের ছাটাই বাছাই প্রক্রিয়া করে থাকেন। বর্তমানে সারা ভারত বর্ষ জুড়ে SIR মাধ্যমে সেই কাজ করে চলেছে।
কবে ভোটার লিস্টের খসড়া প্রকাশিত হবে?
আগামী ৯ ডিসেম্বর ভোটার লিস্টের খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। তার আগে ২৫ নভেম্বর অ্যাপে ফর্ম আপলোডের কাজ শেষ করতে হবে বিএলও দের। ৪ ডিসেম্বর ফর্ম ডিজিটাইজেশনের শেষ দিন। খসড়া তালিকার পরই শুরু হবে ঝাড়াই বাছাই প্রক্রিয়া। নির্বাচন কমিশন পরিষ্কার জানিয়েছেন, বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট নথিপত্র যাদের রয়েছে তাদের কারো নাম বাদ যাবে না। যারা নির্দিষ্ট ফর্ম জমা দিয়েছেন সকলের নাম থাকবে। কমিশনের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বুথে তালিকা বেরোবে। মৃত বা অন্য কারণে বাদ পড়াদের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হবে।
কাদের নাম বাদ পড়তে চলেছে?
SIR নিবন্ধক প্রক্রিয়ায় এলাকার বি এল ও প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফ্রম ফিলাপ করে সংগ্রহ করেছেন। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন বিএলএরা যখন বাড়ি গিয়ে দেখবেন ২০০২ সালে যে ব্যক্তির নাম রয়েছে অথচ বর্তমানে তিনি মৃত, সেই সমস্ত ব্যক্তিদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দেয়া হবে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু জায়গায় অভিযোগ উঠেছে মৃত ব্যক্তিদেরও নাম ফ্রম ফিলাপ করা হয়েছে, উক্ত ফর্ম গুলি বাতিল করা হবে। তাই আপনারা যারা সঠিক তথ্য দিয়ে ফর ফিলাপ করে জমা করেছেন তাদের অযথা দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই নতুন ভোটার লিস্টে আপনাদের সকলের নাম থাকতে চলেছে।
কাদের হেয়ারিংয়ে ডাকা হবে?
যে সমস্ত নাগরিক অথবা তার নিকট আত্মীয়র নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই তাঁদের একটি নির্দিষ্ট দিনে ডাকা হবে। সেই নির্দিষ্ট দিনে উক্ত ব্যক্তির কাছে কমিশন প্রদত্ত ১১ টি নথির মধ্যে যেকোনো একটি কোন একটি দেখাতে বলা হবে। উক্ত নথি সঠিক হলে তাদের ভোটার লিস্টের নাম বহাল রাখা হবে।
এই 11 টি নতির মধ্যে কোন গোলযোগ ধরা পড়লে তাঁদের পুনরায় ডেকে পাঠাতেই পারেন। শুক্রবারই নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, ৪ ডিসেম্বরের আগেই ডিজিটাইজেশনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া সমাপ্ত হলেই দ্রুত নির্বাচন কমিশনার নতুন ভোটার লিস্ট প্রকাশিত করতে চলেছে। এই কাজ সম্পন্ন হলে প্রত্যেক বুথের বাইরে ভোটার লিস্টের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
আরও পড়ুন
৫০ হাজার স্কলারশিপ! একবার আবেদন করলে বছরে সুযোগ, পশ্চিমবঙ্গের হলে দেখুন - GP Birla Schoolarship 2026
Aitpune is a experience content writer in various niches. I have 5 years experience in the field of content writing specially Bengali language. But i also work in English. So if any error done by me please forgive me.Thank You

