জন্ম সনদ নিয়ে নয়া নিয়ম! এবার মোবাইল দিয়ে আবেদন করুন – WB Birth Certificate by Mobile

WB Birth Certificate by Mobile: জন্মের প্রমাণপত্র হিসেবে কাস্ট সার্টিফিকেট সর্বত্রই প্রয়োজন। বর্তমানে কাস্ট সার্টিফিকেট আবেদনকারীদের ডিজিটাল কাজ সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। তবে পূর্বে যারা কাস্ট সার্টিফিকেট বানিয়েছেন তাদের সার্টিফিকেটগুলো হাতের লেখা রয়েছে। এই হাতে লেখা কাস্ট সার্টিফিকেটগুলো অনেক সময় ভেরিফাই করা সহজ নয় বলে গ্রহণ করে না। তাই আপনার জন্ম প্রমান পত্রটি যদি ডিজিটাল না হয় তাহলে সুযোগ সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বঞ্চিত হতে পারেন। তাই আপনার এবং আপনার পরিবারে জন্ম প্রমাণপত্রটি ডিজিটালাইজেশন অনিবার্য।

আজকের প্রতিবেদনে আলোচনা করতে চলেছি কিভাবে আপনাদের পুরনো হাতে লেখা জন্ম অথবা মৃত্যু প্রমাণপত্রটি অতি সহজে ডিজিটাল সার্টিফিকেটে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। তাই আগ্রহীরা প্রতিবেদনটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত দেখে নির্দেশ অনুযায়ী ডিজিটাল সার্টিফিকেটের আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করুন।

সম্পর্কিত পোস্ট

OBC,SC,ST থাকলে ৪৮,০০০ পর্যন্ত স্কলারশিপ! স্কুল কলেজ সকলের পড়ুয়া জন্য দারুণ সুযোগ - Oasis OBC Scholarship 2026

কিভাবে ডিজিটাল করবেন ?

হাতে লেখা পুরনো জন্ম প্রমাণপত্রের বৈধতা নিয়ে অনেক সময় প্রশ্ন দেখা দেয়। তাই বর্তমানে জন্ম প্রমাণপত্র ডিজিটালাইজেশন করা আবশ্যক হয়ে পড়েছে। জন্ম প্রমাণপত্র ডিজিটালাইজেশন করার পর হারিয়ে গেলেও তার সঙ্গে যদি মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করা থাকলে অতি সহজেই পুনরায় ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। হাতে লেখা পুরনো জন্ম অথবা মৃত্যু প্রমাণপত্রটি ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়াটি নিজে থেকে সম্ভব নয়, তার জন্য আপনাদের নিকটবর্তী রেজিস্টারের অফিসে (পঞ্চায়েত বা পৌরসভা) যোগাযোগ করতে হবে। সেখান থেকে আপনাদের ডিজিটাল কাস্ট সার্টিফিকেট জন্য আধিকারিকরা ফর্ম A পূরণ করতে বলবেন। ফর্মে উল্লেখিত আবেদনকারীর নাম, ঠিকানা সহ যাবতীয় নথিপত্র গুলো পূরণ করতে হবে।

আবেদনপত্রটি পূরণ হলে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সমেত আবেদন পত্রটি উক্ত স্থানে সেটি জমা করতে হবে। আবেদন পত্রটি জমা করার কিছুদিনের মধ্যেই আপনার ডিজিটাল জন্ম অথবা মৃত্যু প্রমাণপত্রটি পেয়ে যাবেন।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র :

ডিজিটাল জন্ম প্রমান পত্রের জন্য আবেদনকারীর নিম্নলিখিত নথিপত্র আবশ্যক, যথা-
১. আবেদনকারীর পরিচয় পত্র হিসেবে আধার কার্ড অথবা ভোটার কার্ড।
২. আবেদনকারীর পুরনো হাতে লেখা জন্ম প্রমান পত্র।
৩. আবেদনকারীর পিতা-মাতার পরিচয় পত্র হিসেবে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড।

কোন সার্টিফিকেট ডিজিটেল করতে পারবেন ?

জন্ম প্রমাণপত্রের ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া শুরু হলেও বেশ কিছু জন্ম প্রমাণপত্র রয়েছে যেগুলো ডিজিটালাইজেশন সম্ভব নয়, যেমন- যে সার্টিফিকেটগুলি মোটামুটিভাবে ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসের পর পঞ্চায়েত বা পৌরসভা থেকে ইস্যু করা হয়েছে, সেগুলি ডিজিটাইজ করা সম্ভব। আবার ১৯৮৭ সালের আগে হাসপাতাল থেকে দেওয়া সার্টিফিকেটগুলি ডিজিটাইজ করা নাও যেতে পারেন।

সময়ের সাথে সাথে সমস্ত নথিপত্র ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতিগত সংশয় পত্র থেকে শুরু করে জন্ম সার্টিফিকেট সব কিছুই বর্তমানে অনলাইনে ‌ মাধ্যমেই সম্পূর্ণ হচ্ছে। ‌ অনলাইন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হওয়ার ফলে আপনারা চাইলে যখন খুশি সার্টিফিকেট ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। ‌এর ফলে আপনার সার্টিফিকেট হারিয়ে যাওয়া দুশ্চিন্তা নেই। আপনি ভারতবর্ষের যেকোনো প্রান্ত থেকেই আপনার সার্টিফিকেটটি অনলাইনে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তাই আপনি অথবা আপনার পরিবারের সদস্য ডিজিটাল জন্ম প্রমাণপত্র না থাকলে যত দ্রুত সম্ভব ডিজিটাল সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করুন।

আরও পড়ুন

Krishak Bandhu নিয়ে সুসংবাদ! শুরু হল ফের একাউন্টে টাকা ক্রেডিট প্রক্রিয়া, দেখুন বিস্তারিত - WB Krishak Bandhu Scheme Update

Leave a Comment