Birth Certificate:  স্কুলে ভর্তি থেকে শুরু করে যে কোন সরকারি কাজে জন্ম প্রমাণপত্র আবশ্যিক। পূর্বে জন্ম প্রমাণপত্র পঞ্চায়েত অথবা পৌরসভার মাধ্যমে অফলাইনে প্রদান করা হতো। তবে সাম্প্রতিক সরকার জন্ম সার্টিফিকেট প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম জারি করেছেন। সরকারের নতুন এই নিয়মে বেশ কিছু শর্ত বেধে দেওয়া হয়েছে।

উক্ত শর্ত গুলি মেনে না চললে আগামীতে অভিভাবকদের জন্ম প্রমাণপত্র পেতে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। তাই আপনি একজন অভিভাবক হিসেবে জন্ম সার্টিফিকেটের নতুন নিয়ম গুলি মেনে চলুন। আজকের প্রতিবেদনে জন্ম প্রমাণপত্রের নতুন নিয়ম সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আলোচনা করা হলো। তাই আপনি একজন অভিভাবক হিসেবে আজকের প্রতিবেদনটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত দেখুন।

সম্পর্কিত পোস্ট

সুখবর! কৃষক বন্ধু যুবসাথী প্রকল্পে বৈধ! এবার সকলেি টাকা পেতে চলেছে - WB Yuva Sathi Scheme 2026

জন্ম নিবন্ধন কি?

জন্ম নিবন্ধন হলো সরকারি ভাবে আপনার/আপনার সন্তানের জন্মের তথ্য রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা। এই তথ্য থেকে জন্ম সার্টিফিকেট/জন্ম সনদ ইস্যু করা হয়, যা স্কুলে ভর্তি, আইএডি/পাসপোর্ট, ভোটার কার্ড, ব্যাংকিং ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে প্রমাণ হিসেবে লাগে। বর্তমানে সকল জন্ম নিবন্ধন পত্রের নতুন নিয়ম জারি করা হয়েছে। ‌উক্ত নিয়ম অনুযায়ী জন্ম প্রমান পত্রে একটা অ্যাডিশনাল ভেরিফিকেশন স্টেপ সম্পূর্ণ করতে হবে।

বার্থ সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি:

স্কুলে ভর্তি থেকে শুরু করে অন্যান্য সরকারি কাজে বার্থ সার্টিফিকেটের আবশ্যিক। তাই শিশুর জন্মের পর পিতা-মাতার প্রথম দায়িত্ব তার সন্তান-সন্ততি নাম জন্ম প্রমাণপত্রে নথিভূক্ত করা। আপনি সরাসরি স্থানীয় পৌরসভা/কর্পোরেশন/গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে আবেদন ফরম নিয়ে পূরণ করে জমা দিতে পারেন। জমা করার কিছু দিনের মধ্যে জন্ম প্রমান পত্র আপনাদের হাতে পৌঁছে যাবে। ‌

প্রয়োজনীয় নথিপত্র :

শিশুর জন্মের পর বার্থ সার্টিফিকেট তৈরি করা পিতা-মাতার প্রাথমিক দায়িত্ব। স্কুলে ভর্তি থেকে শুরু করে অনন্য সরকারি কাজে জন্মের প্রমাণপত্র হিসেবে বার্থ সার্টিফিকেট আবশ্যিক। বার্থ সার্টিফিকেট জন্য আপনাদের স্থানীয় পৌরসভা/কর্পোরেশন/গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আবেদনপত্র জমা করতে হবে। আবেদন পত্রের সঙ্গে নিম্নলিখিত নথিপত্র গুলো জমা করতে হবে।
১. বাবা-মায়ের পরিচয় পত্র হিসেবে Aadhaar/Voter ID/Passport প্রভৃতি বৈধ নথিপত্র।
২. শিশুর জন্ম প্রমাণপত্র হিসেবে জন্ম স্থান/হাসপাতালের তথ্য।
৩. হাসপাতালের জন্ম রেকর্ড/ডিসচার্জ স্লিপ (যদি থাকে) প্রভৃতি।
৪. আবেদনকারী ঠিকানার প্রমাণ (যেমন – Ration Card/Utility bill)।

জন্ম প্রমান পত্রের নতুন নিয়ম :

বর্তমানে সকল বার্থ সার্টিফিকেট ধারীদের সরকার নতুন নিয়ম জারি করেছেন। আসলে জাল সার্টিফিকেট যাতে না বেরয়, ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট যাতে না চালু থাকে সেসব রুখতেই সরকার এত নিয়ম। এর সঙ্গে রয়েছে অ্যাকিউরেসির বিষয়টাও। ডিজিটাল বার্থ রেকর্ডস যাতে সিকিওর হয় তাই সরকারের বার্থ সার্টিফিকেট নিয়ে এমন কড়াকড়ি নিয়ম। নতুন নিয়ম অনুযায়ী বর্তমানে বার্থ সার্টিফিকেট আবেদনকারীর যেকোনো সরকারি নথির আইডি ভেরিফিকেশন জরুরী।

আধার কার্ড নয়তো অন্য কোন সরকারি নথিপত্রের ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক। তাই সার্টিফিকেটের নেওয়ার আগে বাবা-মাকে অফিশিয়াল রেজিস্ট্রেশন পোর্টালে লগ ইন করতে হবে, সমস্ত তথ্য কনফার্ম করতে হবে। আর সেটাকে অনুমোদন করতে হবে রেজিস্ট্রারকে। তবেই পাকাপাকি মিলবে জন্মের শংসাপত্র। এই সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত তথ্য পেতে আপনার নিকটবর্তী পৌর অথবা গ্রাম পঞ্চায়েতের যোগাযোগ করুন।

আরও পড়ুন

৫০ হাজার স্কলারশিপ! একবার আবেদন করলে বছরে সুযোগ, পশ্চিমবঙ্গের হলে দেখুন - GP Birla Schoolarship 2026

By Aitpune

Aitpune is a experience content writer in various niches. I have 5 years experience in the field of content writing specially Bengali language. But i also work in English. So if any error done by me please forgive me.Thank You

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *